Academy

রাউফুল মিয়া ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তার জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করেন। বর্তমানে সরকার ভর্তুকিসহ কৃষকদের কীটনাশক ওষুধ সরবরাহ করায় রাউফুল মিয়াদের মতো কৃষকদের কাছে তা আরও সহজলভ্য হয়েছে। ফলে একদিকে ফসলের উৎপাদন বাড়লেও অন্যদিকে এর বিপরীতক্রিয়া আমাদের পরিবেশকে বিপর্যস্ত করছে।

Ans :

উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন।

1 year ago

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

🌍 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি PDF”, সহজ ব্যাখ্যা, অথবা প্রশ্ন–উত্তর?

SATT Academy–তে আপনাকে স্বাগতম! এখানে পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


📘 অধ্যায়ের প্রধান বিষয়সমূহ:

  • বাংলাদেশের ভূগোল ও ইতিহাস
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থা
  • বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
  • বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন
  • বিশ্ব ভূগোল ও পরিবেশ
  • বিশ্ব ইতিহাস ও সভ্যতা
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বিশ্ব রাজনীতি
  • বিশ্ব অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংকট ও সমাধান

✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ও পরিষ্কার ব্যাখ্যা
  • বোর্ড পরীক্ষা অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর
  • লাইভ টেস্ট – নিজেকে পরীক্ষা করার জন্য
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও ব্যাখ্যা
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য: পরীক্ষার জন্য উপযোগী প্রস্তুত কনটেন্ট
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে পড়ানোর জন্য সহায়ক
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তা
  • টিউটর ও কোচিং শিক্ষকদের জন্য: প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় থেকে প্রয়োজনীয় অংশ নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করুন
  • প্রয়োজন হলে PDF ডাউনলোড করুন
  • ভিডিও লেকচার দেখুন ও আরও ভালো শেখার জন্য ব্যবহার করুন

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি ও সহজে ব্যবহারযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বইয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কনটেন্ট
✔️ লাইভ টেস্ট, ভিডিও ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি দ্বারা যাচাইকৃত তথ্য


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি
  • Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SSC Bangladesh & World Introduction PDF
  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় MCQ CQ SSC
  • NCTB Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SATT Academy Bangladesh & World Introduction

🚀 এখনই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ব্যাখ্যা ও PDF সহ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়–এর পড়াশোনা শুরু করুন — সবার জন্য বিনামূল্যে।

🌟 SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

Content added By

Related Question

View More

1 জলবায়ু কার্যক্রম কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।

টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। তারা যদি উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চায় তাহলে অংশীজন হিসেবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। তাই যার যতটুকু দায়িত্ব তা স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এসডিজি অর্জন করা অসম্ভব। তাই টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ বিষয়টিকে নির্দেশ করছে।

এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের পারস্পরিক দায়িত্ব পড়েছে বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশের ওপর। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এমনই একটি চ্যালেঞ্জ। দৃশ্যকল্প-১ এ' বালু দিয়ে নদী ভরাট করে জমি বিক্রি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ ট্যানারির বর্জ্য পার্শ্ববর্তী খালে ফেলার দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। এ দুটি বিষয়ই পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর টেকসই উন্নয়নের একটি প্রধান ক্ষেত্র হলো পরিবেশ সংরক্ষণ করা। কিন্তু জনগণের অসচেতনতা এবং যথেচ্ছ আচরণের দরুন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। তাই আমাদের পরিবেশ প্রতিনিয়তই দূষিত হচ্ছে। আর এ দূষণ রোধ করা বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্পে এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, উক্ত বিষয়সমূহ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জের বিষয়টিকেই নির্দেশ করছে।

দৃশ্যকল্প-৩ সকলের অংশীদারিত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এসডিজি অর্জনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সর্বত্র কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। দৃশ্যকল্প-৩-এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছে। এর মাধ্যমে তারা সুন্দর বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে পেরেছে। এটি এসডিজি অর্জনের পথকে মসৃণ করবে। এসডিজি অর্জন হলো সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। কেবল সরকারের একার পক্ষে তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশগ্রহণ করতে হবে এ লক্ষ্য অর্জন প্রক্রিয়ায়। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও অংশীদারিত্বই পারে এসডিজি অর্জনের পথকে গতিশীল করতে। উদ্দীপকে 'ক' সিটি কর্পোরেশনের অধিবাসীরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সম্মিলিত প্রয়াস ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালন অংশীদারিত্বেরই নামান্তর, যা এসডিজি অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। এর দ্বারাই নিশ্চিত হবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ।

পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।

সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যায়। উন্নয়নকর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে এবং উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যাবে।

উদ্দীপকের রাউফুল মিয়ার কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত লাভের ভাবনার দিকটিকে প্রতিফলিত করছে।

আমাদের পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবেশগত, অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে পাল্টে যাচ্ছে। কৃষক ফসলি জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ালেও পরিবেশ বিপর্যস্ত হচ্ছে। উদ্দীপকের রাউফুল মিয়া একজন কৃষক এবং তিনি রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করে ফসল উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করেন। সরকারিভাবে ভর্তুকিসহ কীটনাশক ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে বিধায় রাউফুল মিয়ার মতো কৃষকদের কাছে এটি অনেক সহজলভ্য হয়ে গেছে। উৎপাদন বাড়লেও এর প্রভাবে পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। আমাদের পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য উৎপাদনও বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও পরিবেশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ব্যক্তিগত লাভ নিশ্চিত হলেও সামষ্টিক উপকারিতা উপেক্ষিত হচ্ছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের রাউফুল মিয়ার কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত লাভের দিকটিকেই প্রতিফলিত করছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...